কেন কুসংস্কার-বিরোধী আন্দোলন জরুরি...
সার্বিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ছাড়া উন্নয়ন হয় না... অশিক্ষিত ও রুগ্ন নাগরিকদের
নিয়ে দেশ এগোতে পারে না... বিনামুল্যে সার্বিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নিতে
হবে সরকার, রাষ্ট্রকে।
একই সঙ্গে, নির্মূল করতে হবে যাবতীয় কুসংস্কার, ভ্রান্ত বিশ্বাস ও গোঁড়ামিকেও।
কারণ, একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, কুসংস্কার নিছক ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ধারণা নয়। কুসংস্কার খুব ক্ষতিকর জীবাণুর মতো, যা উন্নতির দুই প্রধান স্তম্ভ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য চিন্তাকে ঝুরঝুরে, নড়বড়ে করে দেয়...
কুসংস্কার আর্থিক, শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে চরম ক্ষতি করে আমজনতার। এটা হয় নিঃশব্দে, কিন্তু একেবারে নিশ্চিত ভাবে। কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসই মূলত ধর্মীয় গোঁড়ামি, পারস্পরিক বিদ্বেষ, জাতপাত, সাম্প্রদায়িকতা, বিচ্ছিন্নতা ও হিংসার জন্ম দেয়।
আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে উন্নত, সংহত ও উজ্জ্বল ভারত গড়ে তুলতে হলে কুসংস্কারকে নির্মূল করতে হবে... বিজ্ঞান মনস্কতা ছড়িয়ে দিতে হবে সমাজের সর্বস্তরে, সমস্ত কাজের মধ্যে...
একই সঙ্গে, নির্মূল করতে হবে যাবতীয় কুসংস্কার, ভ্রান্ত বিশ্বাস ও গোঁড়ামিকেও।
কারণ, একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, কুসংস্কার নিছক ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ধারণা নয়। কুসংস্কার খুব ক্ষতিকর জীবাণুর মতো, যা উন্নতির দুই প্রধান স্তম্ভ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য চিন্তাকে ঝুরঝুরে, নড়বড়ে করে দেয়...
কুসংস্কার আর্থিক, শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে চরম ক্ষতি করে আমজনতার। এটা হয় নিঃশব্দে, কিন্তু একেবারে নিশ্চিত ভাবে। কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসই মূলত ধর্মীয় গোঁড়ামি, পারস্পরিক বিদ্বেষ, জাতপাত, সাম্প্রদায়িকতা, বিচ্ছিন্নতা ও হিংসার জন্ম দেয়।
আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভাবে উন্নত, সংহত ও উজ্জ্বল ভারত গড়ে তুলতে হলে কুসংস্কারকে নির্মূল করতে হবে... বিজ্ঞান মনস্কতা ছড়িয়ে দিতে হবে সমাজের সর্বস্তরে, সমস্ত কাজের মধ্যে...
সোজা কথাঃ বৈজ্ঞানিক শিক্ষা বিভিন্ন
উদ্যোগের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে 'সায়েন্টিফিক টেম্পার' ('বিজ্ঞান বুদ্ধি', সৌজন্যঃ 'পরশুরাম' রাজশেখর বসু) তৈরি করতে
হবে... আর সেটা কিছু দেশবিরোধী, সংবিধানবিরোধীও হবে না!! [দ্রষ্টব্যঃ ভারতীয় সংবিধানের ৫১ (এ) এইচ ধারা]
No comments:
Post a Comment