ভাঙন মানেই কি খারাপ সতত
ভাঙন মানেই কি বিপদসংকেত?
ভাঙন যদি এত নিন্দনীয় হয়, তাহলে
কীভাবে তৈরি হল এতবড়ো জীবনামৃত
একটিমাত্র ভ্রূণকোষ থেকে।
বৃদ্ধিও বোধহয় সবসময় কাম্য নয়।
হলে কি মারক ক্যানসার এ ভাবে বর্ণময়
কোষে কোষে উঠত পেকে...
...................
এই সকালে
তোমার পালে
লাগল হাওয়া
মিষ্টি শীতে
জুতোর ফিতে
গোত্তা খাওয়া।
.................
রোগ বুঝে
ওষুধ-পথ্য দিতে হবে।
রোগীকে না বুঝে
এলোপাথাড়ি আলোপ্যাথিও
হাতুড়েপনার বেশি কিছু না।
.......................
কেউ ঠিক কথা বললেই
ঠিকঠাক মানুষ হয় না।
আবার
কেউ ভুল কথা বললেই
ভুলভাল মানুষ হয়ে যায় না।
...............
যে শাসক
মনে মনে বিরোধী বেঞ্চে
বসে থাকেন,
তিনিই একমাত্র সুশাসন দিতে পারেন।
এমন একজন শাসক
খুঁজে পেলাম না, যার এ গুণ আছে!
.................
ভাল থাকা খুব কঠিন
এ সময়ে আরও ক্ষীণ
'দখিনা' ঝড়ের বিষ
ঢেকেছে অহর্নিশ
আসমানজমিন।
তবু বলি আর একবার
উইশ ইউ আ হ্যাপি নিউ ইয়ার!
...............
কে থাকবে
কে থাকবে না
জানি না।
শুধু থাকবে সে
ইকেবানা।
................
বছর শেষ হবে
এ তো জানা ছিল কবে
অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে
এটা কি জানা ছিল।
শুধু জানা ছিল সে আসবে।
................
ভাঙন মানেই কি বিপদসংকেত?
ভাঙন যদি এত নিন্দনীয় হয়, তাহলে
কীভাবে তৈরি হল এতবড়ো জীবনামৃত
একটিমাত্র ভ্রূণকোষ থেকে।
বৃদ্ধিও বোধহয় সবসময় কাম্য নয়।
হলে কি মারক ক্যানসার এ ভাবে বর্ণময়
কোষে কোষে উঠত পেকে...
...................
এই সকালে
তোমার পালে
লাগল হাওয়া
মিষ্টি শীতে
জুতোর ফিতে
গোত্তা খাওয়া।
.................
রোগ বুঝে
ওষুধ-পথ্য দিতে হবে।
রোগীকে না বুঝে
এলোপাথাড়ি আলোপ্যাথিও
হাতুড়েপনার বেশি কিছু না।
.......................
কেউ ঠিক কথা বললেই
ঠিকঠাক মানুষ হয় না।
আবার
কেউ ভুল কথা বললেই
ভুলভাল মানুষ হয়ে যায় না।
...............
যে শাসক
মনে মনে বিরোধী বেঞ্চে
বসে থাকেন,
তিনিই একমাত্র সুশাসন দিতে পারেন।
এমন একজন শাসক
খুঁজে পেলাম না, যার এ গুণ আছে!
.................
ভাল থাকা খুব কঠিন
এ সময়ে আরও ক্ষীণ
'দখিনা' ঝড়ের বিষ
ঢেকেছে অহর্নিশ
আসমানজমিন।
তবু বলি আর একবার
উইশ ইউ আ হ্যাপি নিউ ইয়ার!
...............
কে থাকবে
কে থাকবে না
জানি না।
শুধু থাকবে সে
ইকেবানা।
................
বছর শেষ হবে
এ তো জানা ছিল কবে
অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে
এটা কি জানা ছিল।
শুধু জানা ছিল সে আসবে।
................
ঠিকঠাক ইতিহাস লিখতে হবে। ইতিহাস জানা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
আমরা ইতিহাস জানি না বলেই বাস্তবের জিশু, মহম্মদ, বুদ্ধ সব ভগবান বনে যান!
আমরা ইতিহাস জানি না বলেই বাস্তবের জিশু, মহম্মদ, বুদ্ধ সব ভগবান বনে যান!
যে জিশু রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন, আর যে জিশুকে নিয়ে খ্রিস্ট ধর্ম নির্মাণ করা হয়েছে, তাঁরা কি এক লোক?
যে মহম্মদ উপজাতিদের সংঘবদ্ধ করেছিলেন, আর যে মহম্মদের নামে আরবি বিশ্বাস ও সংস্কৃতিকে জুড়ে ইসলাম বানানো হয়েছে, তাঁরা কি এক?
যে বুদ্ধ ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রচার করেছিলেন, আর যাঁর নামে জাতকের গপ্পো তৈরি হয়েছে, এই দুই লোক কি এক?
মনে তো হয় না।
শক্তিমান ও প্রভাবশালী জননেতাকে কব্জা করতে না পারলেই, তাকে "ভগবান" বানিয়ে দেওয়াটা সাম্রাজ্যবাদের সাবেক কৌশল, সে যে দেশেরই হোক না কেন।
যে মহম্মদ উপজাতিদের সংঘবদ্ধ করেছিলেন, আর যে মহম্মদের নামে আরবি বিশ্বাস ও সংস্কৃতিকে জুড়ে ইসলাম বানানো হয়েছে, তাঁরা কি এক?
যে বুদ্ধ ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রচার করেছিলেন, আর যাঁর নামে জাতকের গপ্পো তৈরি হয়েছে, এই দুই লোক কি এক?
মনে তো হয় না।
শক্তিমান ও প্রভাবশালী জননেতাকে কব্জা করতে না পারলেই, তাকে "ভগবান" বানিয়ে দেওয়াটা সাম্রাজ্যবাদের সাবেক কৌশল, সে যে দেশেরই হোক না কেন।
...........................
জাল, নাকি ইন্দ্রজাল!
সবই ভুলভাল
আঁখো দেখা হাল
তালে দিয়ে তাল
কেটে গেল কাল।
সবই ভুলভাল
আঁখো দেখা হাল
তালে দিয়ে তাল
কেটে গেল কাল।
..................
বড় কথা বড় ভাব
নিশ্চয়ই খুব গুরুতর।
ছোট কথা ছোট ভাব
মূল্য আছে তারও।।
নিশ্চয়ই খুব গুরুতর।
ছোট কথা ছোট ভাব
মূল্য আছে তারও।।
...............
যে দেশে বাঁচার জন্য
শিশুকে মারে মা
সে দেশের ডিজিটালপনা
শোভা পায় না।
শিশুকে মারে মা
সে দেশের ডিজিটালপনা
শোভা পায় না।
...............
বিজেপি নেতা রবিশংকর প্রসাদ নাকি বলেছেন, নরেন্দ্র মোদি গংগার মতোই পবিত্র।
এ নিয়ে একটা গল্প মনে পড়ছে।
এক গুরুজি বিষ পাথর দিয়ে বিষ তুলতেন। কাগজে বিজ্ঞাপন দিতেন: আমার পাথর মন্ত্রের মতো কাজ করে। তো একবার তার বিষ পাথর চিকিৎসায় কাজ হল না। রোগী মারা গেল। মামলা হল। গুরুজি মিথ্যে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। তার পাথরে কাজ হয় না। কাঠগড়ায় বিচারকের সামনে গুরুজি। বিচারক বললেন, আপনি মিথ্যে বিজ্ঞাপন দিয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করেছেন। গুরুজি বললেন, ধর্মাবতার, আমি তো মিথ্যে কিছু বলিনি।
বিচারক: তবে যে লিখেছেন আপনার পাথর মন্ত্রের মতো কাজ করে?
গুরুজি: হ্যাঁ, তো! ভুল কী লিখেছি? মন্ত্রে কোনো কাজ হয় কি, ধর্মাবতার??
মাথা চুলকে শেষে গুরুজিকে বেকসুর খালাস দিলেন বিচারক।
এ নিয়ে একটা গল্প মনে পড়ছে।
এক গুরুজি বিষ পাথর দিয়ে বিষ তুলতেন। কাগজে বিজ্ঞাপন দিতেন: আমার পাথর মন্ত্রের মতো কাজ করে। তো একবার তার বিষ পাথর চিকিৎসায় কাজ হল না। রোগী মারা গেল। মামলা হল। গুরুজি মিথ্যে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। তার পাথরে কাজ হয় না। কাঠগড়ায় বিচারকের সামনে গুরুজি। বিচারক বললেন, আপনি মিথ্যে বিজ্ঞাপন দিয়ে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করেছেন। গুরুজি বললেন, ধর্মাবতার, আমি তো মিথ্যে কিছু বলিনি।
বিচারক: তবে যে লিখেছেন আপনার পাথর মন্ত্রের মতো কাজ করে?
গুরুজি: হ্যাঁ, তো! ভুল কী লিখেছি? মন্ত্রে কোনো কাজ হয় কি, ধর্মাবতার??
মাথা চুলকে শেষে গুরুজিকে বেকসুর খালাস দিলেন বিচারক।
মোদি সম্পর্কে রবিশংকর প্রসাদের কথার তাৎপর্যটাও বোধহয় এভাবেই বুঝতে হবে!
..............................
প্রতিভার কাছে
পৃথিবীটা দাস
শিল্পীর তুলিতে
ধূলিও ক্যানভাস।
পৃথিবীটা দাস
শিল্পীর তুলিতে
ধূলিও ক্যানভাস।
....................
চুল কাটা হল সারা
ভরা গাল ক্ষুর-ধারা
খুশি গোগোলা
কাটিতে কাটিতে চুল
কাটিল বেলা।
ভরা গাল ক্ষুর-ধারা
খুশি গোগোলা
কাটিতে কাটিতে চুল
কাটিল বেলা।
......................
সেটা '৯২ এর ডিসেম্বর। কিছুদিন আগেই বাবরি মসজিদ ভাংগা হয়েছে। সারা দেশে উত্তেজনা। কলকাতার কিছু জায়গাতেও কার্ফু হয়েছে। এই সময় একদিন সন্ধ্যায় কয়েকজন বন্ধু নোনাপুকুর ট্রামডিপোর মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম।
রফিক বা সাদিক, নামটা ভুলে গেছি তার। সে বলল, আমি তো হিন্দু না। তবু হরিদ্বারের হরকিপিয়ারি ঘাটে গেছি। সেখানে সন্ধেবেলায় গংগায় প্রদীপ ভাসাতে দেখে আবেগে চোখে জল চলে এসেছিল। বললাম, ও দৃশ্য আমিও দেখেছি। যথেষ্টই সুন্দর ও কাব্যিক। কিন্তু এখন যে সেটা তোমার মনে পড়ছে, তার কারণ, তোমার মনে আতংক কাজ করছে। তুমি ভিতরে ভিতরে ভিনধর্মের সংগে রফা করতে চাইছ। কিন্তু তুমি শিক্ষিত, বুদ্ধিমান। তাই নিজের পশ্চাদপসরণটাকে স্বীকার না করে, সেটাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছ।
সে ছিল শিল্পী, ছবি আঁকত। আর সে ছিল বড়ই ভাল ছেলে। পছন্দও করত আমাকে। বলল, হবে হয়তো!
সে ছিল শিল্পী, ছবি আঁকত। আর সে ছিল বড়ই ভাল ছেলে। পছন্দও করত আমাকে। বলল, হবে হয়তো!
শিল্পী সাহিত্যিকদের নিয়ে এই সমস্যা। তারা প্রায়শই নিজের শিল্পীসত্তাজাত তাতক্ষণিক আবেগ, অনুভূতিকে নিজের জ্ঞানবুদ্ধি, বিশ্বাস, মতাদর্শের সংগে মিশিয়ে গোটা ব্যাপারটা ঘুলিয়ে দেয়।
আশ্বিনের শারদপ্রাতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ততসহ রাগাশ্রয়ী গান কারও কানে ভাল লাগতেই পারে। সেটা অস্বাভাবিক বা অন্যায় কিছু না। কিন্তু, বুঝতে হবে, সেটা তার সুর ও প্রাকৃতিক আবহের জন্য। হিন্দু পৌরাণিকতার জন্য নয়!
.....................
হিংসা বিনে মৌলবাদ হয় না।
ভাল ভাল কথা
নেহাতই সমঝোতা
প্রেম প্রেম ভাব জাস্ট ধম্মের গয়না।।
ভাল ভাল কথা
নেহাতই সমঝোতা
প্রেম প্রেম ভাব জাস্ট ধম্মের গয়না।।
................
বাংলাদেশের বিজয়দিবস কিংবা
ভারতের স্বাধীনতা দিবসটা,
একই ব্যাপার। গরম চাটু থেকে
ফুটন্ত কড়াই, অথবা উল্টোটা!!
ভারতের স্বাধীনতা দিবসটা,
একই ব্যাপার। গরম চাটু থেকে
ফুটন্ত কড়াই, অথবা উল্টোটা!!
...............
বাজারি কাগজে যারা
সৎ সাংবাদিকতা করে
তাদের খুব জ্বালা।
বিপ্লবীরা ভাবে এরা দালাল
মালিক ভাবে
এরা শুয়োরের শালা।।
সৎ সাংবাদিকতা করে
তাদের খুব জ্বালা।
বিপ্লবীরা ভাবে এরা দালাল
মালিক ভাবে
এরা শুয়োরের শালা।।
.....................
তুমি আস্তিক কি নাস্তিক
আমি দেখি না।
আমি দেখি, শুধু দেখি
তুমি ভালো মানুষ কি না।
আমি দেখি না।
আমি দেখি, শুধু দেখি
তুমি ভালো মানুষ কি না।
...................
স্বস্তিতে আছি মস্তিতে আছি,
নেই শুধু তোর বিপন্নতায়।
তোর কাছে থাকি
তোকে দূরে রাখি
কী অদ্ভুত কূট পন্থায়।।
নেই শুধু তোর বিপন্নতায়।
তোর কাছে থাকি
তোকে দূরে রাখি
কী অদ্ভুত কূট পন্থায়।।