কী করে তোরে বোঝাব হায়
দেহপট সনে নট সকলি হারায়।
..........
এক এক সময়
কত ছবি কত কথা বলে দেয়
তবু কি বুঝি কোনটা ন্যায়,
আর কোনটা অন্যায়!
..........
দেহপট সনে নট সকলি হারায়।
..........
এক এক সময়
কত ছবি কত কথা বলে দেয়
তবু কি বুঝি কোনটা ন্যায়,
আর কোনটা অন্যায়!
..........
সৌজন্য
............
............
সুযোগ বড় একটা জোটে না। কিন্তু আজ মিনিবাসে আচমকাই বসার জায়গা পেয়ে গেলাম। বসে মোবাইল ঘাঁটছি। কিছুক্ষণ বাদে এক বয়স্ক মহিলা উঠে ঠিক মুখের গোড়ায় এসে দাঁড়ালেন।
এ ক্ষেত্রে যা হয়... অস্বস্তি।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও জায়গা ছেড়ে দিয়ে বসতে বললাম ওই ভদ্রমহিলাকে। খেয়াল করলাম, বয়স্ক মহিলাটির সঙ্গে তাঁর ছেলেও আছে। বয়স ৩০ এর কোঠায়।
আরও কিছু পরে পাশের সিট’টা খালি হল। হিসেব মতো, সেই সিটে আমার বসার কথা। কারণ সিটের সামনে আমিই দাঁড়িয়ে। কিন্তু না। তা হল না। মহিলা সরে এসে জায়গা করে দিলেন তাঁর ছেলেকে। পরম মমতায় বললেন, 'বস বস, এখানে বস।'
আর ছেলেটিও দিব্যি দ্বিরুক্তি না করে খালি আসনটিতে বসে পড়ল। তারপর মা-ছেলে’তে সুখদুঃখের গপ্পো করতে করতে চলল। একবারও আমার দিকে না তাকিয়ে।
আর ছেলেটিও দিব্যি দ্বিরুক্তি না করে খালি আসনটিতে বসে পড়ল। তারপর মা-ছেলে’তে সুখদুঃখের গপ্পো করতে করতে চলল। একবারও আমার দিকে না তাকিয়ে।
ভাবছিলাম, এই ছেলেই যদি ভবিষ্যতে অন্য কারও কথায় এই মা’কে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে কি!...
.....................
.....................
আর হ্যাঁ, এটা কিন্তু খুব নতুন অভিজ্ঞতা নয়। এর আগেও যৎসামান্য লাভের জন্য এমন সৌজন্যের অভাব দেখেছি। আত্মকেন্দ্রিকতা, স্বার্থপরতা, নিজেকে নিয়ে মশগুল থাকা, সহনাগরিক, সহযাত্রী, সহকর্মী সম্পর্কে উদাসীন থাকা ইত্যাদি প্রবণতা... ছেলে-মেয়ে, বয়স্ক-তরুণ নির্বিশেষে।
............
বক্তব্যটা খুব পরিষ্কার
....................................
....................................
নিজের মনের কথা বলার অধিকার
মৌলিক নাগরিক অধিকার।
এই অধিকার কোনোভাবেই
কেড়ে নেওয়া বা খর্ব করা যায় না।
মৌলিক নাগরিক অধিকার।
এই অধিকার কোনোভাবেই
কেড়ে নেওয়া বা খর্ব করা যায় না।
সেই কারণেই,
আমরা স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে।
মুক্ত চিন্তার পক্ষে।
বিবেকের স্বাধীনতার পক্ষে।
আমরা স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে।
মুক্ত চিন্তার পক্ষে।
বিবেকের স্বাধীনতার পক্ষে।
এটা কোনও দলীয় রাজনীতির বিষয় নয়।
এটা কোনও গোষ্ঠী বিশ্বাস বা সংস্কৃতির বিষয় নয়।
এটা সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়।
নাগরিক অধিকারের বিষয়।
গণতান্ত্রিক মুল্যবোধের বিষয়।
মানবাধিকারের বিষয়।
এটা কোনও গোষ্ঠী বিশ্বাস বা সংস্কৃতির বিষয় নয়।
এটা সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়।
নাগরিক অধিকারের বিষয়।
গণতান্ত্রিক মুল্যবোধের বিষয়।
মানবাধিকারের বিষয়।
ভারতীয় সংবিধান
স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে
মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদও
স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে মান্যতা দিয়েছে।
সেই সনদে ভারত স্বাক্ষর করেছে।
স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে
মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদও
স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে মান্যতা দিয়েছে।
সেই সনদে ভারত স্বাক্ষর করেছে।
আপনি যদি ভারতীয় হন, তাহলে
ভারতীয় সংবিধানকে মর্যাদা দিন। শ্রদ্ধা করুন। মেনে চলুন।
আপনি যদি দেশপ্রেমিক হন,
তাহলে মনে রাখুন,
নাগরিকের মত প্রকাশের অধিকার
কোনও যুক্তি বা অজুহাতেই
খর্ব করা যায় না। নিষিদ্ধ করা যায় না।
ভারতীয় সংবিধানকে মর্যাদা দিন। শ্রদ্ধা করুন। মেনে চলুন।
আপনি যদি দেশপ্রেমিক হন,
তাহলে মনে রাখুন,
নাগরিকের মত প্রকাশের অধিকার
কোনও যুক্তি বা অজুহাতেই
খর্ব করা যায় না। নিষিদ্ধ করা যায় না।
............
ধর্ম তো প্রতিদিনই
মানুষের, মানবতার অবমাননা ঘটাচ্ছে।
মানুষও কি পারে না, মাঝেমধ্যে
ধর্মেরও অবমাননা ঘটাতে?
মানুষের, মানবতার অবমাননা ঘটাচ্ছে।
মানুষও কি পারে না, মাঝেমধ্যে
ধর্মেরও অবমাননা ঘটাতে?
বাঁক নিয়ে হাঁক দিয়ে
ধর্মের পাণ্ডারা কতই তো রটাচ্ছে।
মানুষও কি পারে না ধর্ম ও
ঈশ্বরের নিন্দা'টা রটাতে?
ধর্মের পাণ্ডারা কতই তো রটাচ্ছে।
মানুষও কি পারে না ধর্ম ও
ঈশ্বরের নিন্দা'টা রটাতে?
............
মতপ্রকাশের সমর্থনে...
পড়শি বাংলাদেশের মতো এ দেশেও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। মৌলবাদী অসহিষ্ণুতা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে সমাজের আনাচেকানাচে। ইদানীং গোটা ভারতেই যুক্তিবাদী-মানবতাবাদী মুক্তচিন্তা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গিয়েছে। সুকৌশলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ঘটানো হচ্ছে। ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে গণতান্ত্রিক চিন্তার পরিসর। কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি ও বিদ্বেষমূলক মনোভাব আমাদের সংস্কৃতিতে ঢুকে পড়েছে বিধ্বংসী ভাইরাসের মতোই। এর ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে চলা অসম্ভব। এর বিরুদ্ধে আমাদের মুখোমুখি লড়তে হবে। বের করতে হবে প্রতিষেধক। বৈজ্ঞানিক, গণতান্ত্রিক, যুক্তিবাদী তথা মানবিক মূল্যবোধকে আঘাত করে এমন সমস্ত বিষয়ে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি, বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার, যুক্তির চর্চা বাড়ানো এবং যাবতীয় বিতর্ক ও মতবিরোধ সত্ত্বেও আন্তরিক সহমর্মিতা নিয়ে দল-মত-রং না দেখে নির্যাতিত প্রতিটি সহনাগরিকের পাশে দাঁড়ানোই এই মুহূর্তে আমাদের প্রাথমিক কর্তব্য।
ব্লগার তারক বিশ্বাসের 'প্রায় অপহরণ', গ্রেফতারি, মামলা, পুলিশি গোপনীয়তা, সরকার-প্রশাসনের হিরন্ময় নীরবতা... এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাবলে ভুল হবে... এই ধরনের ঘটনার জমি কিন্তু প্রস্তুত হয়েই আছে... চোরাগোপ্তা আক্রমণ হয়েও চলেছে... যদিও সব ক্ষেত্রে তা 'খবর' হয়ে উঠছে না।
আমরা যদি এখনও সতর্ক না হই, তাহলে একদিন আমাদেরও হয়তো অনেককে কারান্তরালে বসে সেই বিখ্যাত কবিতাটা আওড়াতে হবে!!...
“
First they came for the Socialists, and I did not speak out—
Because I was not a Socialist.
Then they came for the Trade Unionists, and I did not speak out—
Because I was not a Trade Unionist.
Then they came for the Jews, and I did not speak out—
Because I was not a Jew.
Then they came for me—and there was no one left to speak for me.
”
First they came for the Socialists, and I did not speak out—
Because I was not a Socialist.
Then they came for the Trade Unionists, and I did not speak out—
Because I was not a Trade Unionist.
Then they came for the Jews, and I did not speak out—
Because I was not a Jew.
Then they came for me—and there was no one left to speak for me.
”
তাই বন্ধু, এই লড়াইয়ে আপনাকে পাশে চাই...
..................
তারক বিশ্বাসের মুক্তি চাই। সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে তাঁকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
সবার উপর মানুষ সত্য
তাহার উপরে যুক্তি-তথ্য।
তাহার উপরে যুক্তি-তথ্য।
অসহিষ্ণুতা, পেশিশক্তি নয়
স্বাধীন মতপ্রকাশ হোক বাঙময়।
স্বাধীন মতপ্রকাশ হোক বাঙময়।
........................
সেই একই ছক
যুদ্ধের জিগির তুলে
যুক্তিকে ব্লক।
হেনকালে কে কহিবে
অধিকার কথা
বলিউডও চিল্লোয়
শ্রেয় নীরবতা।
যুদ্ধের জিগির তুলে
যুক্তিকে ব্লক।
হেনকালে কে কহিবে
অধিকার কথা
বলিউডও চিল্লোয়
শ্রেয় নীরবতা।
.......................
এই ভোর
যেন তোর
প্রতিদিন
ভরে দেয়।
এই চোখ
সব শোক
নিশিদিন
মুছে নেয়।
যেন তোর
প্রতিদিন
ভরে দেয়।
এই চোখ
সব শোক
নিশিদিন
মুছে নেয়।
......................
তোমাদের কাছে যা যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
টিভিতে আইপিএলের উন্মাদনা
আমাদের তা নিশ্চিত মৃত্যুর পরোয়ানা।
টিভিতে আইপিএলের উন্মাদনা
আমাদের তা নিশ্চিত মৃত্যুর পরোয়ানা।
...........................
স্লোগান দিতে গিয়ে আমি চিনতে শিখি
কে ভাই কে দুশমন...
কে ভাই কে দুশমন...
অবিলম্বে নিঃশর্তে
তারক বিশ্বাসের
মুক্তি চাই
### ###
ধর্ম, ধর্মীয় নেতা, রাষ্ট্র, সংস্কার
কেউই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়
###
দূর হটো অসহিষ্ণুতা
চাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
###
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে যুক্তি, তথ্য
###
মূল্যবোধের সারকথা
গণতন্ত্র যুক্তি বিজ্ঞামনস্কতা মানবতা
###
ধর্ম যার যার
যুক্তি সব্বার
###
ধর্ম যার যার
পৃথিবীটা সব্বার
তারক বিশ্বাসের
মুক্তি চাই
### ###
ধর্ম, ধর্মীয় নেতা, রাষ্ট্র, সংস্কার
কেউই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়
###
দূর হটো অসহিষ্ণুতা
চাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
###
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে যুক্তি, তথ্য
###
মূল্যবোধের সারকথা
গণতন্ত্র যুক্তি বিজ্ঞামনস্কতা মানবতা
###
ধর্ম যার যার
যুক্তি সব্বার
###
ধর্ম যার যার
পৃথিবীটা সব্বার