Wednesday, March 30, 2016

প্রসংঃ ইসলামিক বাংলাদেশ

এতদিন ঘোমটা দিয়ে খেমটা হচ্ছিল। এবার খুল্লমখুল্লা...
না নাচলে যাবে তোমার কল্লা।
হায় মুক্তিযুদ্ধ হায় একুশে ফেব্রুয়ারি...
ভাষা নিয়ে ভাসা ভাসা যুদ্ধের এখানেই দাঁড়ি।
পাকিস্তানের থেকে স্বাধীন হয়ে শেষে হলি পাকিস্তানেরই দাসী
(বাঙালি নয়, আজ থেকে তুমি স্রেফ বাংলাদেশি বাংলাভাষী)
আর কি বলতে পারবঃ আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি?

ক্ষতি কী, না হয় ভোট না দিলে: vote for NOTA

ক্ষতি কী, না হয় ভোট না দিলে
...........................
আসন্ন ভোটে যে দলই জিতুক, গোহারা হবে মানুষ, সাধারণ মানুষ। এটা একেবারে নিশ্চিত।
কেন? কারণটা খুব সোজা।
মানুষ সিপিএম কংগ্রেস তৃণমূল বিজেপি কাউকেই চায় না। অন্তত মন থেকে তো নয় ই।
যারা সারদা-নারদা করে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, যারা দু হাত পেতে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার পরেও এত্তুটকু লজ্জিত হয় না, বরং দু কান এঁটো হাসি হেসে দাঁত কেলিয়ে কখনো বলে অনুদান, কখনো বলে জাল ভিডিয়ো, কখনো হাওয়ালা (কী জ্বালা!), তারপর দ্বিধাহীন ভাবে ভোট চাইতে পারে-- তাদের মানুষ, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ বিশ্বাস করবে, শ্রদ্ধা করবে, ভোট দেবে-- এটা ভাবা যায় না।
আর সিপিএম? ওরা ক্ষমতা-খিদেয় ভুগছে। জীবনের সেরা সময়টা ক্ষমতার শাঁসে-জলে থেকে অভ্যস্ত মন্ত্রী-নেতারা যেনতেন প্রকারে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। তার জন্য কংগ্রেসও আচ্ছা। কংগ্রেসি জমনায় যে ১১০০ কর্মী হত্যার ফিরিস্তি শোনা যেত এক সময় জ্যোতি বসু, প্রমোদ দাশগুপ্তদের মুখে, সেসব এখন নিছক ধুলোপড়া পেপার-কাটিং...। নিজেদের অতীতের ভুল, অন্যায়, গুণ্ডামি (বিস্তর তালিকা দেওয়া যায়) ইত্যাদি বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার না করে, নিজেদের নীচতা, কুশ্রীতা, কদর্য কুদুলেপনা, দাদাগিরি ও পদে পদে ভণ্ডামি ইত্যাদি স্বভাব এতটুকু না শুধরে, এবং এবং জনসাধারণের কাজে লাগে এমন কোনও সত্যিকারের আন্দোলন না করেই তারা ক্ষমতায় ফিরতে চায়, চাইছে, কেবলমাত্র ‘মমতা খারাপ, মমতার দল চোর, গুন্ডা, ঘুষখোর’ এহেন প্রচারের ধোঁয়া দিয়েই। এই ভোট সর্বস্ব দলটার কাছে ক্ষমতাই সব, বাকি সব মায়া (অথবা, মমতা!)। এরা ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে, মানুষের জানতে বাকি নেই। এদের মানুষ বিশ্বাস করবে, পাগল (অথবা ছাগলেও) বিশ্বাস করবে? কী মনে হয়!!!
আর কংগ্রেস,বিজেপি'কে নিয়ে আলোচনা করারই কোনও মানে হয় না...
তাই বলছিলাম, ভোট যখন হচ্ছে, খেলার নিয়মেই, কেউ না কেউ তো জিতবেই... কিন্তু তাতে আমাদের (মানে, জনসাধারণের) অষ্টরম্ভা...
যে জিতবে, সে-ই আমাদের ‘দেখে নেবে’... হাতে বা ভাতে ক্যালানোর ‘মোডাস অপারেনডি’ তাদের যা-ই হোক, মার তো একটাও বাইরে পড়বে না!!
অর্থাৎ? অর্থাৎ হয় দলে ভেড়ো, নয় তো একদম গুটিয়ে যাও। একনিষ্ঠ চামচা আর মড়ার কোনও শত্রু হয় না।
তবে নিরপেক্ষ হয়ো না... কারণ নিরপেক্ষতা মানে যুক্তি বুদ্ধি ন্যায় সততা বিবেকের পক্ষে থাকা। নিরপেক্ষ হওয়া খুব কঠিন... সেটা হতে দেওয়া যাবে না... হলেই ‘মাওবাদী’ বলে জটায়ুর মতো ‘ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই’...

Thursday, March 10, 2016

মৌলবাদী বজ্জাত দাঙ্গাবাজদের কীভাবে চিনবেন

মৌলবাদী বজ্জাত দাঙ্গাবাজদের কীভাবে চিনবেন
....................................................................

ধরুন, খেলার মাঠে 'অফ সাইডে গোল' করা নিয়ে সেন্টার ফরওয়ার্ড রামের সঙ্গে সাইডব্যাক রহিমের গোলমাল হয়েছে।
একজন সাধারণ দর্শক কী করবে? সে রেফারির সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নেবে। এবং সে চাইবে, রাম-রহিম'ও সেটা মেনে নিক। না মানলে, রেফারি তাদের লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দিক।
কিন্তু একজন গোঁড়া মৌলবাদী বজ্জাত দাঙ্গাবাজ দর্শক কী করবে? 'গোলমাল'টা যে নিছক খেলা নিয়ে, সে সেটাই প্রথমে চেপে যাবে বা স্রেফ গুরুত্ব দেবে না। গোলমালের প্রেক্ষিত বাদ দিয়ে সে বলবে, 'গোলমাল'টা হয়েছে হিন্দুর সঙ্গে মুসলিমের। এবং এটা পূর্ব পরিকল্পিত।
তারপর সে পছন্দসই একজনের পক্ষ নিয়ে নেবে এবং প্রাণপণে হাজারো কুজুক্তি টেনে এনে দেখানোর চেষ্টা করবে, উল্টোপক্ষ কত বদমাশ। তাদের স্বভাবই গোলমাল পাকানো। এই ঘটনার জন্য রাম (বা, রহিম) এর গোষ্ঠীই প্রকৃতপক্ষে নাটেরগুরু, দোষী।
দাঙ্গাবাজ দর্শকটি তিলকে তাল করবে... নিজের কোলে ঝোল টেনে রং চড়াবে। সে পুরো ঘটনাটাকে দেখবে নিজের গোষ্ঠীধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে... আর সেই মতো অন্য দর্শকদেরও সে উস্কানি দেবে, যাতে তারা রাম (বা রহিম)-এর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংস ব্যবস্থা নেয়...
বীরভূমের ইলম বাজারের ঘটনা উপলক্ষে ঠিক এই কাজটাই করছে সংশ্লিষ্ট দুটি গোষ্ঠীর অন্ধ, অশিক্ষিত, গোঁড়া, মৌলবাদী দাঙ্গাবাজ'রা।
ফেসবুকেও এই 'ন্যাকাপড়া জানা অশিক্ষিত কুচক্রী দাঙ্গাবাজ' অংশটাকে দেখা যাচ্ছে...
এরা আলতুফালতু অবান্তর কথা বলে আপনাকে অপমান করে রাগিয়ে তাতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে...
এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকুন... শনাক্ত করে অন্যদের জানিয়ে দিন..।।
খেয়াল রাখুন...
কোনোভাবেই এদের প্ররোচনায় পা দেবেন না...
কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া চলবে না...
এটাই আমাদের চ্যালেঞ্জ।।

পালটি'ওয়ালাদের মনে রেখে

পালটি'ওয়ালাদের মনে রেখে
.......................................
এক সিনিয়র সাংবাদিক দাদা...
বাম জমানায় তিনি খুলেআম বিরোধিতা করতেন কংগ্রেস, পরের দিকে বিশেষত তৃণ মুলের।
তারপর বাম গেল তৃণ এল...
তিনি এবার খুলেআম বিরোধিতা শুরু করলেন সিপিএম এবং তাদের সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের।
একদিন দেখা... রাস্তায়...
কী ... দাদা? আপনি না কমিউনিস্ট... সিপিএমের ঘরের ছেলে... এসব কী লিখছেন!... এই মমতাকেই তো এক সময় কী না বলেছেন... এখন পালটি?...
দাদা একগাল হেসে বল্লেনঃ আরে না রে। যা ভাবছিস তা নয়... আমি পালটি খাইনি। পালটি খেয়েছে সরকার... আমি বরাবর সরকার পক্ষে ছিলাম, আছি, থাকব...