ক্ষতি কী, না হয় ভোট না দিলে
...........................
...........................
আসন্ন ভোটে যে দলই জিতুক, গোহারা হবে মানুষ, সাধারণ মানুষ। এটা একেবারে নিশ্চিত।
কেন? কারণটা খুব সোজা।
মানুষ সিপিএম কংগ্রেস তৃণমূল বিজেপি কাউকেই চায় না। অন্তত মন থেকে তো নয় ই।
যারা সারদা-নারদা করে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, যারা দু হাত পেতে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার পরেও এত্তুটকু লজ্জিত হয় না, বরং দু কান এঁটো হাসি হেসে দাঁত কেলিয়ে কখনো বলে অনুদান, কখনো বলে জাল ভিডিয়ো, কখনো হাওয়ালা (কী জ্বালা!), তারপর দ্বিধাহীন ভাবে ভোট চাইতে পারে-- তাদের মানুষ, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ বিশ্বাস করবে, শ্রদ্ধা করবে, ভোট দেবে-- এটা ভাবা যায় না।
আর সিপিএম? ওরা ক্ষমতা-খিদেয় ভুগছে। জীবনের সেরা সময়টা ক্ষমতার শাঁসে-জলে থেকে অভ্যস্ত মন্ত্রী-নেতারা যেনতেন প্রকারে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। তার জন্য কংগ্রেসও আচ্ছা। কংগ্রেসি জমনায় যে ১১০০ কর্মী হত্যার ফিরিস্তি শোনা যেত এক সময় জ্যোতি বসু, প্রমোদ দাশগুপ্তদের মুখে, সেসব এখন নিছক ধুলোপড়া পেপার-কাটিং...। নিজেদের অতীতের ভুল, অন্যায়, গুণ্ডামি (বিস্তর তালিকা দেওয়া যায়) ইত্যাদি বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার না করে, নিজেদের নীচতা, কুশ্রীতা, কদর্য কুদুলেপনা, দাদাগিরি ও পদে পদে ভণ্ডামি ইত্যাদি স্বভাব এতটুকু না শুধরে, এবং এবং জনসাধারণের কাজে লাগে এমন কোনও সত্যিকারের আন্দোলন না করেই তারা ক্ষমতায় ফিরতে চায়, চাইছে, কেবলমাত্র ‘মমতা খারাপ, মমতার দল চোর, গুন্ডা, ঘুষখোর’ এহেন প্রচারের ধোঁয়া দিয়েই। এই ভোট সর্বস্ব দলটার কাছে ক্ষমতাই সব, বাকি সব মায়া (অথবা, মমতা!)। এরা ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে, মানুষের জানতে বাকি নেই। এদের মানুষ বিশ্বাস করবে, পাগল (অথবা ছাগলেও) বিশ্বাস করবে? কী মনে হয়!!!
আর কংগ্রেস,বিজেপি'কে নিয়ে আলোচনা করারই কোনও মানে হয় না...
তাই বলছিলাম, ভোট যখন হচ্ছে, খেলার নিয়মেই, কেউ না কেউ তো জিতবেই... কিন্তু তাতে আমাদের (মানে, জনসাধারণের) অষ্টরম্ভা...
যে জিতবে, সে-ই আমাদের ‘দেখে নেবে’... হাতে বা ভাতে ক্যালানোর ‘মোডাস অপারেনডি’ তাদের যা-ই হোক, মার তো একটাও বাইরে পড়বে না!!
অর্থাৎ? অর্থাৎ হয় দলে ভেড়ো, নয় তো একদম গুটিয়ে যাও। একনিষ্ঠ চামচা আর মড়ার কোনও শত্রু হয় না।
তবে নিরপেক্ষ হয়ো না... কারণ নিরপেক্ষতা মানে যুক্তি বুদ্ধি ন্যায় সততা বিবেকের পক্ষে থাকা। নিরপেক্ষ হওয়া খুব কঠিন... সেটা হতে দেওয়া যাবে না... হলেই ‘মাওবাদী’ বলে জটায়ুর মতো ‘ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই’...
কেন? কারণটা খুব সোজা।
মানুষ সিপিএম কংগ্রেস তৃণমূল বিজেপি কাউকেই চায় না। অন্তত মন থেকে তো নয় ই।
যারা সারদা-নারদা করে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়, যারা দু হাত পেতে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার পরেও এত্তুটকু লজ্জিত হয় না, বরং দু কান এঁটো হাসি হেসে দাঁত কেলিয়ে কখনো বলে অনুদান, কখনো বলে জাল ভিডিয়ো, কখনো হাওয়ালা (কী জ্বালা!), তারপর দ্বিধাহীন ভাবে ভোট চাইতে পারে-- তাদের মানুষ, সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ বিশ্বাস করবে, শ্রদ্ধা করবে, ভোট দেবে-- এটা ভাবা যায় না।
আর সিপিএম? ওরা ক্ষমতা-খিদেয় ভুগছে। জীবনের সেরা সময়টা ক্ষমতার শাঁসে-জলে থেকে অভ্যস্ত মন্ত্রী-নেতারা যেনতেন প্রকারে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে। তার জন্য কংগ্রেসও আচ্ছা। কংগ্রেসি জমনায় যে ১১০০ কর্মী হত্যার ফিরিস্তি শোনা যেত এক সময় জ্যোতি বসু, প্রমোদ দাশগুপ্তদের মুখে, সেসব এখন নিছক ধুলোপড়া পেপার-কাটিং...। নিজেদের অতীতের ভুল, অন্যায়, গুণ্ডামি (বিস্তর তালিকা দেওয়া যায়) ইত্যাদি বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার না করে, নিজেদের নীচতা, কুশ্রীতা, কদর্য কুদুলেপনা, দাদাগিরি ও পদে পদে ভণ্ডামি ইত্যাদি স্বভাব এতটুকু না শুধরে, এবং এবং জনসাধারণের কাজে লাগে এমন কোনও সত্যিকারের আন্দোলন না করেই তারা ক্ষমতায় ফিরতে চায়, চাইছে, কেবলমাত্র ‘মমতা খারাপ, মমতার দল চোর, গুন্ডা, ঘুষখোর’ এহেন প্রচারের ধোঁয়া দিয়েই। এই ভোট সর্বস্ব দলটার কাছে ক্ষমতাই সব, বাকি সব মায়া (অথবা, মমতা!)। এরা ক্ষমতায় এলে কী হতে পারে, মানুষের জানতে বাকি নেই। এদের মানুষ বিশ্বাস করবে, পাগল (অথবা ছাগলেও) বিশ্বাস করবে? কী মনে হয়!!!
আর কংগ্রেস,বিজেপি'কে নিয়ে আলোচনা করারই কোনও মানে হয় না...
তাই বলছিলাম, ভোট যখন হচ্ছে, খেলার নিয়মেই, কেউ না কেউ তো জিতবেই... কিন্তু তাতে আমাদের (মানে, জনসাধারণের) অষ্টরম্ভা...
যে জিতবে, সে-ই আমাদের ‘দেখে নেবে’... হাতে বা ভাতে ক্যালানোর ‘মোডাস অপারেনডি’ তাদের যা-ই হোক, মার তো একটাও বাইরে পড়বে না!!
অর্থাৎ? অর্থাৎ হয় দলে ভেড়ো, নয় তো একদম গুটিয়ে যাও। একনিষ্ঠ চামচা আর মড়ার কোনও শত্রু হয় না।
তবে নিরপেক্ষ হয়ো না... কারণ নিরপেক্ষতা মানে যুক্তি বুদ্ধি ন্যায় সততা বিবেকের পক্ষে থাকা। নিরপেক্ষ হওয়া খুব কঠিন... সেটা হতে দেওয়া যাবে না... হলেই ‘মাওবাদী’ বলে জটায়ুর মতো ‘ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই ঠাই’...
No comments:
Post a Comment