প্রসঙ্গ জে এন ইউ...
জেএনইউ নিয়ে এত গোলমালই হত না, যদি ভারত সত্যিকারের গণতান্ত্রিক, বহুত্ববাদী দেশ হত...।
তা তো তারা নয়। তাই সমস্যা এখানেই...
সংখ্যাগুরুর পছন্দসই মত না দিলেই, তুমি দেশবিরোধী, জঙ্গি!
একটা কার্টুন আঁকলে, বা দু’লাইনের বিরোধী মতামত দিলেও এখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারাবন্দি হয়ে থাকতে হতে পারে...
সত্যি বলতে কী, জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম ইত্যাদি নিয়ে আগাগোড়া ভুল বোঝানো হয়েছে দেশের জনসাধারণ’কে। ব্যক্তি স্বাধীনতা, জাতিসত্তার স্বাধীনতা ইত্যাদি নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করার সুযোগ রাখা হয়নি তথাকথিত ভারতীয় গণতন্ত্রে। এর ফলে ব্যাপক মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তা নানা ইস্যুতে বেরিয়ে আসে। তখন ‘তুমি বিচ্ছিন্নতাবাদী’, ‘তুমি মাওবাদী’, ‘তুমি সন্ত্রাসবাদী’, ‘তুমি দেশবিরোধী’, ‘তুমি অশান্তি করতে চাইছ’, ‘তুমি উন্নয়নবিরোধী’--- এসব বলে মুখচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে রাষ্ট্র ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ ও বাজনদাররা। কিন্তু তাতে সত্য চাপা পড়ে না। নরেন্দ্র মোদী তো বলেছেন, তিনি সাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কোনও বিষয়ে আলোচনাতেই তাঁর বাধা নেই।
বেশ। তাহলে নেহরু-প্যাটেলের কংগ্রেস যে ভুল (বলা উচিত, অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতা) করেছিল কাশ্মীরি মানুষের সঙ্গে, সেই ক্ষমার অযোগ্য ‘ভুল’ শুধরে তিনি কাশ্মীর নিয়ে গণবিতর্ক ডাকুন... সবার মতামত নিন... ইতিহাসের দিকে চোখ রাখুন। যুক্তিপূর্ণ ও বস্তুবাদী ইতিহাসের দিক নির্দেশ মেনে কাশ্মীর সমস্যার (অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে) ফয়স্লা করুন। কেবল নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলোচনা করে কাশ্মীর ইস্যুর জট খুলবে না... আর মিথ্যে জাতীয়তাবাদী (যা ক্রমশই হিন্দু জাতীয়তাবাদী জিগিরে পর্যবসিত হয়েছে, হচ্ছে) ধুয়ো তুলে দলীয় কিছু লাভ হতে পারে বটে, কিন্তু তা দিয়ে মানুষকে বেশিদিন বোকা বানানো হয়তো আর সম্ভব হবে না।
আরও একটা কথা...
আমি নিশ্চিত, জেএন ইউ-এর ঘটনায় সংসদীয় দলগুলো জড়িয়ে গিয়েছে বলেই এ নিয়ে এত শোরগোল হচ্ছে... মিডিয়ায় ও সেই কারণেই পথেঘাটেও। প্রধানমন্ত্রীও ‘সর্বদল’ ডেকেছেন এও কারণেই। এটা যদি ‘অন্যধারা’ বা ‘নির্দল’দের ব্যাপারস্যাপার হত, তাহলে মিডিয়াও এত চেঁচাত না... রাজনৈতিক দলগুলোও এত সক্রিয় হত না। ধৃত ছাত্রদের জীবন সবার চোখের আড়ালে নিঃশব্দে ছত্রখান হয়ে যেত...
'সর্বঘটের কাঁঠালিকলারা' মোদীর সরবদল বৈঠকে গিয়ে কী বলেছেন, তা জানি না (জানি, কিন্তু মিডিয়া যেটুকু জানে, সেটুকুই) ... তবে তারা যে কাশ্মীরি জাতিসততার সুরক্ষা, স্বাধীনতা, মানুষের স্বাভাবিক মানবিক মর্যাদা ইত্যাদি নিয়ে খোলামেলা বিতর্কের আবশ্যিকতার প্রশ্নটা তোলেননি, এটা একেবারে নিশ্চিত!!
জেএনইউ নিয়ে এত গোলমালই হত না, যদি ভারত সত্যিকারের গণতান্ত্রিক, বহুত্ববাদী দেশ হত...।
তা তো তারা নয়। তাই সমস্যা এখানেই...
সংখ্যাগুরুর পছন্দসই মত না দিলেই, তুমি দেশবিরোধী, জঙ্গি!
একটা কার্টুন আঁকলে, বা দু’লাইনের বিরোধী মতামত দিলেও এখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারাবন্দি হয়ে থাকতে হতে পারে...
সত্যি বলতে কী, জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেম ইত্যাদি নিয়ে আগাগোড়া ভুল বোঝানো হয়েছে দেশের জনসাধারণ’কে। ব্যক্তি স্বাধীনতা, জাতিসত্তার স্বাধীনতা ইত্যাদি নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করার সুযোগ রাখা হয়নি তথাকথিত ভারতীয় গণতন্ত্রে। এর ফলে ব্যাপক মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তা নানা ইস্যুতে বেরিয়ে আসে। তখন ‘তুমি বিচ্ছিন্নতাবাদী’, ‘তুমি মাওবাদী’, ‘তুমি সন্ত্রাসবাদী’, ‘তুমি দেশবিরোধী’, ‘তুমি অশান্তি করতে চাইছ’, ‘তুমি উন্নয়নবিরোধী’--- এসব বলে মুখচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে রাষ্ট্র ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ ও বাজনদাররা। কিন্তু তাতে সত্য চাপা পড়ে না। নরেন্দ্র মোদী তো বলেছেন, তিনি সাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কোনও বিষয়ে আলোচনাতেই তাঁর বাধা নেই।
বেশ। তাহলে নেহরু-প্যাটেলের কংগ্রেস যে ভুল (বলা উচিত, অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতা) করেছিল কাশ্মীরি মানুষের সঙ্গে, সেই ক্ষমার অযোগ্য ‘ভুল’ শুধরে তিনি কাশ্মীর নিয়ে গণবিতর্ক ডাকুন... সবার মতামত নিন... ইতিহাসের দিকে চোখ রাখুন। যুক্তিপূর্ণ ও বস্তুবাদী ইতিহাসের দিক নির্দেশ মেনে কাশ্মীর সমস্যার (অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে) ফয়স্লা করুন। কেবল নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলোচনা করে কাশ্মীর ইস্যুর জট খুলবে না... আর মিথ্যে জাতীয়তাবাদী (যা ক্রমশই হিন্দু জাতীয়তাবাদী জিগিরে পর্যবসিত হয়েছে, হচ্ছে) ধুয়ো তুলে দলীয় কিছু লাভ হতে পারে বটে, কিন্তু তা দিয়ে মানুষকে বেশিদিন বোকা বানানো হয়তো আর সম্ভব হবে না।
আরও একটা কথা...
আমি নিশ্চিত, জেএন ইউ-এর ঘটনায় সংসদীয় দলগুলো জড়িয়ে গিয়েছে বলেই এ নিয়ে এত শোরগোল হচ্ছে... মিডিয়ায় ও সেই কারণেই পথেঘাটেও। প্রধানমন্ত্রীও ‘সর্বদল’ ডেকেছেন এও কারণেই। এটা যদি ‘অন্যধারা’ বা ‘নির্দল’দের ব্যাপারস্যাপার হত, তাহলে মিডিয়াও এত চেঁচাত না... রাজনৈতিক দলগুলোও এত সক্রিয় হত না। ধৃত ছাত্রদের জীবন সবার চোখের আড়ালে নিঃশব্দে ছত্রখান হয়ে যেত...
'সর্বঘটের কাঁঠালিকলারা' মোদীর সরবদল বৈঠকে গিয়ে কী বলেছেন, তা জানি না (জানি, কিন্তু মিডিয়া যেটুকু জানে, সেটুকুই) ... তবে তারা যে কাশ্মীরি জাতিসততার সুরক্ষা, স্বাধীনতা, মানুষের স্বাভাবিক মানবিক মর্যাদা ইত্যাদি নিয়ে খোলামেলা বিতর্কের আবশ্যিকতার প্রশ্নটা তোলেননি, এটা একেবারে নিশ্চিত!!
No comments:
Post a Comment